হাঁটুর ব্যথা কমাতে পারে কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

 


প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১  

   

বয়স বাড়লে দেহে নানারকম রোগ বাসা বাঁধে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হাঁটুর ব্যথা। যা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। তবে বয়স বাড়লেই যে হাঁটুর ব্যথা হয় তা কিন্তু নয়। এখন কম বয়সেও হাঁটুর ব্যথায় ভুগেন অনেকেই।

আজকাল খাটে বসে কম্পিউটরে মুখ গুঁজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছে অনেকেই। এর ফলেই বাড়ছে পিঠ, কোমর, হাঁটুর ব্যথা। আর এই ব্যথা কমাতে অনেকেই ব্যথার ওষুধ খেয়ে থাকেন। যা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারণ এই ওষুধ সেবনের কারণে আরো নানা রকম শারীরিক সমস্যা বাড়ে।

তবে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যা এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক হাঁটুর ব্যথা কমাতে কী করবেন-

>> কোথাও ধাক্কা খেয়ে বা পড়ে গিয়ে হাঁটুতে ব্যথা পেলে বারবার বরফ দিন। সঙ্গে সেই হাঁটুটি শক্ত করে ক্রেপ ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন।

>> হাঁটু ব্যথার সময়ে আরো একটি কাজ খুব আরাম দেয়। উষ্ণ জলে ভালো করে গোসল করলে বেশ অনেকক্ষণের জন্য দূরে থাকবে ব্যথা। শরীর লাগবে ঝরঝরে।

>> সবার আগে বুঝতে হবে ব্যথার ধরন। কোনো চোট পেয়ে ব্যথা বেড়েছে, নাকি আর্থরাইটিস- তা বোঝার চেষ্টা করুন। যেকোনো ধরনের ব্যথাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় নিজে যত্ন নিলে।

>> যদি বেকায়দায় লেগে গিয়ে হাঁটু ব্যথা হয়, তবে সবচেয়ে বেশি জরুরি হলো বিশ্রাম। কয়েকটি দিন কম নড়াচড়া করলেই ব্যথা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। বিশ্রামের সময়ে পা একটু উঁচু জায়গায় রাখুন। তাতে কাজ আরো দ্রুত হবে।

>> সবসময় যে চোট লেগেই ব্যথা হবে, এমন নয়। হাঁটু ব্যথার একটি বড় কারণ হলো ওজন। শরীরের ভার যত বাড়বে, হাঁটুর উপর তত চাপ পড়বে। তার থেকে ব্যথাও বেশি হবে। ওজন কমানোর সব রকম চেষ্টায় মন দিন। তাতে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে।

>> হাঁটুতে ব্যথার কারণ যা-ই হোক, ঠাণ্ডা-গরম সেঁক দিলে আরাম হবেই। তবে কখনোই সরাসরি বরফ দেওয়া ঠিক নয়। হয় কোনো আইস প্যাক ব্যবহার করুন কিংবা কোনো কাপড়ে বরফ বেঁধে নেবেন। ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়ার পরে হালকা করে কোনো ব্যথার মলম লাগিয়ে রাখুন। আরাম হবে।

>> হাঁটুতে একবার ব্যথা হলে সহজে কমতে চায় না। তাই কিছু ব্যায়ামেরও সাহায্য নিন। তাতে ব্যথার জায়গাটি নমনীয় থাকবে। তাহলে ব্যথা কম সময় লাগবে। ‌হালকা হাঁটাহাঁটি, সাইকেল চালানো কিংবা যোগব্যায়াম- যেকোনোটি‌ই করা যেতে পারে নিয়ম মেনে। তবে চোট লেগে থাকলে এ ধরনের ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget