আযানের অন্যান্য মাসায়েলঃ

আযানের অন্যান্য মাসায়েলঃ

১. আযানের উদ্দেশ্য হবে স্রেফ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। এজন্য কোন মজুরী চাওয়া যাবে না। তবে বিনা চাওয়ায় সম্মানী গ্রহণ করা যাবে। কেননা নিয়মিত ইমাম ও মুওয়াযযিনের সম্মানজনক জীবিকার দায়িত্ব গ্রহণ করা সমাজ ও সরকারের উপরে অপরিহার্য কর্তব্য। [আহমাদআবুদাঊদনাসাঈতিরমিযীইবনু মাজাহ]
২. আযান ওযূ অবস্থায় দেওয়া উচিত। তবে বে-ওযূ অবস্থায় দেওয়াও জায়েয আছে। আযানের জওয়াব বা অনুরূপ যেকোন তাসবীহতাহলীল ও দোআ সমূহ এমনকি নাপাক অবস্থায়ও পাঠ করা জায়েয আছে। [ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৫১-৫২]

৩. এক্বামতের পরে দীর্ঘ বিরতি হলেও পুনরায় এক্বামত দিতে হবে না [ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৮৯৯২ পৃঃ ;ছালাতুর রাসূল,তাখরীজ :আব্দুর রঊফ,১৯৮ পৃঃ।]
৪.ক্বাযা ছালাত জামাআত সহকারে আদায়ের জন্য আযান আবশ্যিক নয়। কেবল এক্বামতই যথেষ্ট হবে। [মুসলিম, মিশকাত হা/৬৮৪, দেরীতে আযান অনুচ্ছেদ-;মিরআত ২/৩৮৭]
৫. আযান ও জামাআত শেষে কেউ মসজিদে এলে কেবল এক্বামত দিয়েই জামাআত ও ছালাত আদায় করবে। [ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৯১ আযান অধ্যায়,মাসআলা-১৮।]
৬. যিনি আযান দিবেন,তিনিই এক্বামত দিবেন। অন্যেও দিতে পারেন। অবশ্য মসজিদে নির্দিষ্ট মুওয়াযযিন থাকলে তার অনুমতি নিয়ে অন্যের আযান ও এক্বামত দেওয়া উচিত। তবে সময় চলে যাওয়ার উপক্রম হলে যে কেউ আযান দিতে পারেন। [ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৯০,৯২ পৃঃ;মাসআলা-১৩,২০।]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget