রোজ সকালে এক গ্লাস হিমালয়ের নুন-জলে কমবে ওজন

 



হিমালয়ান সল্ট পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণ যা বিষাক্ত দূষিত পদার্থ মুক্ত। এই লবণ হিমালয় পর্বত থেকে তৈরি হয় এবং সেখানে এটিহোয়াইট গোল্ডনামে সুপরিচিত এই লবণের অনন্যতার কারণ হচ্ছে এর গোলাপি বর্ণ যা আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতির জন্য হয়ে থাকে। একারণে লবণকেপিংক সল্ট বলা হয়

প্রধানত


হিমালয়ান সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে গঠিত। তবে এতে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন এবং ফ্লোরাইডসহ প্রায় ৮০টির মত উপাদান থাকে। এই লবণের খনিজ উপাদানগুলো আঠালো গঠনে থাকে এবং মানুষের শরীরের কোষে খুব সহজেই শোষিত হতে পারে। খনিজ লবণে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই লবণ শরীর মনের নিরাময়ে বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে

শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও বহু মানুষ এই নুন মিশ্রিত জল খেয়ে উপকার পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন সকালে খালিপেটে এই জলের উপকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই কিন্তু এটা বানানোর একটা নিয়ম রয়েছে।

রোজ সকালে এক গ্লাস হিমালয়ের নুন-জলে ফিরে পান যৌবন লবন এবং জল। মানবদেহে অত্যন্ত জরুরি দুটি উপাদান। কিন্তু তা পরিমিত মাত্রায় হলে তবেই স্বাস্থ্যসম্মত হয়। আমরা সাধারণত খাবারে বা রান্নার সময় যে নুন ব্যবহার করি তা পরিশ্রুত নুন। অর্থাত্প্রায় বিশুদ্ধ সোডিয়াম ক্লোরাইড। প্রাকৃতিক নুন থেকে সমস্ত মিনারেল ছেঁটে ফেলে দেওয়া হয় এই প্রক্রিয়ায়। অথচ এই প্রাকৃতিক মিনারেল আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত দরকারি।
**
একটি পরিষ্কার কাঁচের জারে ফোটানো ঠান্ডা করা জল নিন।
**
বার তাতে বেশ খানিকটা হিমালয়ান লবন ঢেলে দিন। ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন।
**
যখন দেখবেন আর লবন জলে দ্রবীভূত হচ্ছে না তখন বুঝবেন আপনার সলিউশনটি প্রাথমিকভাবে তৈরি হয়েছে।
**
পড়ে থাকা লবন ছেঁকে লবন-জল ভরা জারটি ফ্রিজে রেখে দিন।
প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জার থেকে এক চামচ জল নিয়ে তা এক গ্লাস পরিষ্কার জলে মেশান। এই জল ‘SOLE’ (সোলে) নামে পরিচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget