অক্টোবর 2021
- থাইরয়েড -১ম পর্ব -উপাদানসমূহ -জেনে ’-মন ‘ডি’ ‘মাইন্ড ০টি ১০ ১২ ১৩ ২০২২ ৫০ ভাগ ৬ষ্ঠ ৯ম অক্সিডেন্টের অজানা অজু অজু ঘাড় অজু ঘাড় মাসহ অজু মাতা অতিরিক্ত অনুযায়ী অন্ধত্ব অন্যতম অন্যান্য অপকারিতা অপকারিতাও অপরিহার্য অবস্থায় অব্যর্থ অভাব অভাবজনিত অভাবে অভ্যাস অমলেট অলিভ ওয়েল অসাধারণ অসুখ অসুস্থতা অ্যাটাক অ্যাটাকের অ্যান্টি অ্যান্টিবায়োটিক অ্যাসিডিটির আঁটির আক্রান্ত আখরোট আজ আট আদা আদা- আনতে আপনাকে আপনার আপেল আমড়া আমন্ড আমলকীর আমিষ আমিষের আমের আযান আযান কালিমা আযান জবাব আযান দোয়া আযান ফজিলত আশ্চর্য ইংলিশের ইকামত ইমিউনিটি উচিত উচ্চ উচ্চ রক্তচাপ উচ্চতায় উঠার উৎস উপকার উপকারিতা উপকারিতার উপকারী উপকারী- উপাদান উপাদানের উপায় উপায়ে এইচএসসি এক একটি একসঙ্গে এজমা এড়াতে এডাপটেশনের এবং এমসিটি এমসিটি অয়েল এমসিটি ওয়েল এর এলার্জি এসএসসি এসব ওজন ওজন কমাতে ফাস্টিং ওজন কমানো ওটস ওমেগা- ওমেগা-৬ ওয়াক্ত ওষুধ ওষুধের কচু কঠিন কত কতটুকু কতদিন কফি কম কমবে কমাতে কমান কমানোর কমায় কমায় খালি ،পেটে ،লেবু ،পানি কমিয়ে কমে কয়েকটি করণীয় করবে করবেন করার করুন করে করেন কাউন্ট কাঁচা কাছে কাজ কাজু কাজু বাদাম কাঠবাদাম কাদের কাদের- কারণ কারণে কার্যকারিতা কালোজিরা কাশির কি কিছু কিছু ভুল কিটো ডায়েটিং কিটো ফুড কিডনি কিডনির কিডনী কিনা কীভাবে? কুমড়া কুমড়ো বীজ কে সত্যিকারী কেন কেন? কেন্দ্র কমিটি কোন কোমর কোষ্ঠকাঠিন্য ক্যানসার! ক্যান্সার ক্লান্তি ক্ষতিকর ক্ষতিকর- ক্ষয় ক্ষয়ের ক্ষুধা ক্ষেত্রে খনিজ খাওয়া খাওয়ার খাচ্ছেন খাদ্য খাদ্যের খান খাবার খাবারগুলো খাবারে খাবেন খালি খালি পেটে খাসি খেলে খেলেই খোরমা গরু গর্ভকালে গলা গলাব্যথা গাওয়া ঘি গাজরের গু গুণ গুণাগুণ গুন গোসলকে গ্যাসট্রিকস গ্যাস্ট্রিকের গ্রিণ টি গ্লাস ঘটাতে ঘণ্টা ঘণ্টার ঘনত্ব ঘরে ঘরোয়া ঘরোয়া চিকিৎসা ঘাড় ঘি ঘুম ঘুমানো ঘুমানোর চর্বি চা চা-সিগারেট- চাইলে চাপ চালের চাহিদা চিয়া চিয়া বীজ চুল চুলের যত্ন চোখ ছবি ছেড়ে ছোলা জন্য জমা জয়েন্টে জয়েন্টের ব্যা্থা জরুরি জানা জানুন জিকির জিকির আত্মা জুস জুসের জেনে জ্বালা ঝাল ঝিনঝিন ঝুঁকি টক টক্সিন ঠান্ডার সমস্যা ঠিকমতো ঠেকাতে ডাব ডাবেই ডায়াবেটিকস ডায়াবেটিস ডায়েট ডায়েটিং ডিম ডেকে ণ-ডায়াবেটিস তথ্য তাফসির তাফসির কুরআন তারাবীহ তারাবীহ আট তাসবিহ তাসবিহ নামাজ তুলনায় তুলসি তেঁতুল- তেঁতুলের তেল তেলের তেলের গুণ তৈরি ত্বক পরিচর্যা ত্বক ভালো রাখে ،লেবুর ত্বকের থাকবে থাকলে থেকে থেকেও দই দইয়ের দাওয়াত দাঁত দাঁতের দারুচিনি দারুচিনির দিক দিতে দিবস দিয়ে দুটি দুধ দুপুরে দূর দূরে দেখতে সারডিন দেবেন দেয়া দেরি দেহে দৈনিক দোয়া দোয়া সালাত দ্রুত ধনিয়া ধৈর্য নফল না না এসব নানা নারকেল নারকেল তেল নারী নারী রোজা নাস্তা নিচে নিন নিম নিয়ন্ত্রণসহ নিষেদ নিষেধ নুন-জলে নেই পড়া পড়াসহ পদ্ধতি পদ্ধতি বিজ্ঞান পর পরিত্রাণ পরিবর্তন পরিষ্কার পরীক্ষা পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের পরে পাওয়ার পাঁচ পাঁচটি পাকস্থলিতে পাতা ও ফলে সমাধান পাতার পাথর পান পানি পানিশূন্যতা পানীয়তে পানে পানের পাবেন পায় পায়ে পারে পাশাপাশি পিংক সল্ট পিনাট বাটার পুরুষের পুষ্টি পুষ্টি গুণ পুষ্টিকর পুষ্টিগুণ পেঁপে পেঁপের পেঁয়াজের পেট পেটে পেটের পেটের চর্বি পেয়ারা পেয়ারার পোচের প্রক্রিয়াজাত প্রচণ্ড প্রচলিত প্রচুর প্রতিকার প্রতিদিন প্রতিরোধ প্রতিরোধী প্রত্যেকদিন প্রধান প্রভাব প্রয়োজন? প্রশ্নোত্তর প্রস্রাব প্রস্রাবের প্রস্রাবের সমস্যা প্রাকৃতিক প্রাণঘাতী প্রোটিনের প্লাস্টিকের ফজিলত ফল ফলগুলো ফলাফল ফিজিওথেরাপি ফেলে ফোলাভাব ফ্যটি লিভার ‌‌ফ্যাট বদহজমের বন্ধ বন্ধ্যাত্ব বয়সে বলুন বা বাড়বে বাড়াতে বাড়াবেন বাড়ায় বাড়ে বাদাম বাদাম ওজন ،কমায়، বাদাম মিক্সড বারণ বার্ষিক বালিশের বিকল বিকল্প বিতির বিতির কুনুত বিতির সহীহ বিদেশী ফল বিপদ বিরুদ্ধে বিশেষ বিশ্ব বীজ বুঝবেন বুঝে বৃদ্ধি বেদানা বের বেশি বোঝা বোতলে ব্যথা ব্যবহার ব্যায় ব্যায়াম ভয়ানক ভাজা ভাত ভাব ভালো রাখতে খাবেন ভিজিয়ে ভিটামিন ভিনেগার ভিনেগারের ভুলেই ভুলেও ভেজানো ভেষজ মগজের খাবার মত মতামত মধু মধ্যে মশলায় রোগ সাড়ে মস্তিষ্ক মাইগ্রেনের মাংস মাখরাজ মাখরাজ দোয়াদ মাছ মাছের মাড়ি মাত্র মাত্রাতিরিক্ত মাথাব্যথা মাথার মাথার সমস্যা মাধ্যমে মানবদেহে মানবদেহের মানসিক মারাত্মক মাসায়েল মাসায়েল আযান মিডিয়া মিলবে মিষ্টি মিস্টি কুমড়া মুক্তি মুক্তির মুরগি মৃত্যু মৃত্যুর মেথির মোটা মোটা হওয়ার উপায় মোটা হওয়ার ইপায় মোবাইল মোবাইলের যত যন্ত্রণা যা যাওয়ার যাচ্ছেন? মেটাবলিজম যাদের যাবে যায় যে যেতে যেভাবে যেসব যোগ যোগায় যৌনক্ষমতা যৌবন যৌবন শক্তি র পর রক্ত রক্তচাপের রক্তের রয়েছে রসুন রাখতে রাখবে- রাখার রাজমা রাতে রাতের খাবার রান্নায় রুই রুকু রুকু কোরআন রুটিনে রূপচর্চায় রেখে রেসিপি রোগ রোগীদের রোগীরা রোগে রোগেও রোজ রোদ রোধ রোধে লক্ষণে লড়ে লিভার লিভারে লেবু লেবুর শক্তি শতকরা শরীরকে শরীরে শাক শাকের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শুকনো শুরু শোক শ্রেণির সংবাদ সকালে সকালের সঙ্গে সবজি সবুজ সব্জি সময় সমস্যা সমস্যার সমাধান সমাধান- সমৃদ্ধ সরিষার তেল সর্দি সর্দি- সহায়ক সাওম সাওম আযান সাত সাথে সাধারণ সাফল্য সারাতে সালাত সালাত রং ঈফ সালের সি সিডার সিদ্ধ সিলেবাস সীডের সুস্থ সুস্বাদু সুস্বাস্থ্যের সূর্যমূখী বীজ সূর্যাস্তের স্তর স্পার্ম স্বাস্থ্য স্মৃতিশক্তি হওয়া হওয়ার হজম হতে হবে হয় হয়? হয়ে হলুদ হলে হলো হাঁটুর হাড় হামলা হার্ট হার্টের হার্টের সমস্যা হিমালয়ের হিসেব হিসেবে হৃদরোগ হৃদরোগের হেপাটাইটিস হোয়াটসঅ্যাপ Extra Virgin kito Ok Olive Oil

 রান্নায় নিয়মিত মেথি ব্যবহার করুন। মেথি ফোঁড়ন দিয়ে আলুর চচ্চড়ি যদি কোনও খেয়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন মেথির স্বাদ সামান্য তিতকুটে হলেও আলুর চচ্চড়ির স্বাদ বিশ্বের সেরা। পাঁচ ফোঁড়নেও মেথি থাকে। সুতরাং তা থেকেও খাওয়া যায়। আবার রাতে মেথি ভিজিয়ে সকালে সেই জল খেলে শরীর ভালো থাকে। মেথি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি মশলা বা বীজ। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল এবং সলিউবল ডায়টারি ফাইবার। নিয়মিত মেথি খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক থাকে। কোলেস্টরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে এই মেথি।

 

এই কারণে, এই ফোনগুলিতে কাজ করবে না WHATSAPP

যদি আপনার ফোন পুরানো অপারেটিং সিস্টেমে চলছে, তাহলে শীঘ্রই আপনার ফোনে WhatsApp চলা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যারা তাদের স্মার্টফোন আপডেট করেননি তারা হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাক্সেস হারাতে পারেন। পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে WhatsApp পাওয়া যাবে না যার ভার্সন 4.0.4 বা তার কম। যারা আপডেট করবে না তাদের নতুন স্মার্টফোন কিনতে হবে বা হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া অন্য কোন অ্যাপ্লিকেশন খুঁজতে হবে। 1 নভেম্বর 2021 থেকে WhatsApp শুধুমাত্র Android 4.1 (বা উচ্চতর), iOS 10 (বা উচ্চতর), KaiOS 2.5.0 (বা উচ্চতর) চালিত স্মার্টফোনে কাজ করবে। যার মানে হোয়াটসঅ্যাপ পুরনো OS ভার্সনে কাজ করা ডিভাইসগুলিতে বন্ধ হয়ে যাবে।

 লেবুর জলে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস, ফোলেট, ফ্ল্যাভোনয়েডস ও ভিটামিন B থাকে। যা ক্রনিক কোনও রোগের থেকে হওয়া জ্বালাভাব কমায়, মানসিক চাপ কমায়। এতে থাকা ভিটামিন C অন্যান্য খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয় ও হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়লে রক্তাল্পতা হয় না।

 লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবুর রস ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দেয়। করোনা যেহেতু এখনও রয়েছে বিশ্বে, তাই যে কোনও সময়ে অল্প লেবুর পানি খেলে তা শরীরে উপকার করে।

  লেবুর সরবতের টক-মিষ্টি ভাব শুধু স্বাদে পরিবর্তন ঘটায় এমন নয়, শরীরে থেকে টক্সিন বের করে দেয়। ফলে ত্বক ভালো থাকে। এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস থাকে, যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

 এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ অক্টোবর, ২০২১

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত কেন্দ্র পরিচালনায় পাঁচ সদস্যের কেন্দ্র কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষার ব্যয়ভার বহন, আসন ব্যবস্থা, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক নিয়োগসহ পরীক্ষা পরিচালনায় কেন্দ্র সচিবকে সহায়তা করবে এ কমিটি। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা বোর্ড থেকে সব জেলা প্রশাসককে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।


আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠন করে সদস্যদের তালিকা ঢাকা বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসকদের।



চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। এ পরীক্ষায় মোট ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। ৩ হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে মোট ২৯ হাজার ৩৫টি স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষা দেবেন। 


জানা গেছে, জেলা সদরের কেন্দ্রের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যান হবেন। জেলার ক্ষেত্রে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলার ক্ষেত্রে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কমিটির সদস্য হবেন। এ কমিটির সদস্য হিসেবে আরও থাকবেন সরকারি বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক, বেসরকারি বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক। কেন্দ্রসচিব কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। আর বোর্ড অনুমোদিত কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র সচিক হবেন। 


জেলা প্রশাসকদের পাঠানো চিঠিতে এসএসসির পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠনের বিস্তারিত জানানো হয়েছে। দৈনিক শিক্ষাডটকমের পাঠকদের জন্য চিঠিটি তুলে ধরা হল।

 আদা, লেবু এবং মধুতেই লুকিয়ে আছে বিপাক হার বাড়ানোর মন্ত্র। একটি পাত্রে এক লিটার জল নিয়ে তাতে মেশাতে হবে হাফ চা-চামচ লেবুর জল, কুচি করে কাটা লেবুর খোসা, কুচোনো আদা এবং অল্প গোলমরিচ। মিশ্রণটি কিছু ক্ষণ ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে পান করুন।


• এই পানীয়টি তৈরি করতে এক লিটার পরিমাণ জলে জিরে, গোলমরিচ, দারচিনি মেশান। মিশ্রণটা পাঁচ-সাত মিনিট ফুটিয়ে নিন। এর পরে ছেঁকে নিয়ে তাতে লেবু আর মধু যোগ করে পান করুন।

• এক কাপ পরিমাণ জলে মিশিয়ে নিন পুদিনা পাতা। তার পরে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। তাতে গ্রিন টি মিশিয়ে তিন মিনিট রেখে দিন। সেই জল পান করুন।

 ঘুম থেকে উঠার আট ঘণ্টার মধ্যে খাবেন


এই গবেষণার খবর পুরোটা পড়ার হয়ত মাঝরাতে উঠে খাবার কথা আপনি ভাবলেও ভাবতে পারেন


আপনি কি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে আগ্রহী?


হয়ত সে কারণে কী খাওয়া উচিত, কতটা খাওয়া উচিত এ নিয়ে আপনি তথ্য ঘাঁটতে পছন্দ করেন। এ নিয়ে বাজারে তথ্যেরও অভাব নেই।


কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে কী খাওয়া উচিত আর কতটা খাওয়া উচিত তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল কখন খাওয়া উচিত।


পুষ্টিবিদরা আপনাকে বলবেন নিয়মিত বিরতি দিয়ে খাবার খেতে এবং বলবে কখনই আপনি খাবার সময়ে খাওয়া বাদ দেবেন না।




ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম আট থেকে ১০ ঘন্টার মধ্যে খাবেন

যারা জিমে গিয়ে ব্যায়াম করেন, তাদের জিমের প্রশিক্ষকরা পরামর্শ দেন যে ব্যায়ামের আগে, পরে অথবা ব্যায়ামের সময় কিছু পুষ্টিকর খাবার খেতে। তথ্য থেকে দেখা গেছে যে ক্যালরিযুক্ত খাবার দিনের প্রথম দিকে খেলে তা থেকে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।


এখন নতুন এক গবেষণায় মানুষের ২৪ ঘন্টা দেহঘড়ির সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের কী সম্পর্ক তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তারা বলছে ঘুম থেকে জেগে ওঠার প্রথম ৮ থেকে ১০ ঘন্টার মধ্যে খাবার খেতে, যাতে শরীর খাবার হজম করার জন্য যথেষ্ট সময় পায়।


নতুন গবেষণা বলছে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের মানে শুধু ব্যায়াম করা নয়, বা কী খাচ্ছেন, কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন সেদিকে নজর রাখা নয়, বরং কখন খাচ্ছেন সেদিকে নজর রাখা


ড: সচিন পাণ্ডা আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে সাল্ক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মানুষের দেহঘড়ির সঙ্গে খাওয়ার সম্পর্ক নিয়ে দশ বছর চালানোর গবেষণার ওপরএকটি বই লিখেছেন তিনি।


দেহঘড়ির সঙ্গে খাওয়ার সম্পর্ক কোথায়?

ড: পাণ্ডা বিবিসিকে বলেছেন মানুষের দেহের যে নিজস্ব একটা ঘড়ি আছে তার ছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে যখন মানুষ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলে তখন মানুষের শরীর সবচেয়ে ভালভাবে কাজ করে।


''শরীরের ভেতর যে ২৪ ঘন্টার ঘড়ি আছে, সে ঘড়ি একেকজনের জন্য একেকরকম। শরীরের প্রতিটি কোষ এই ঘড়ির ছন্দ অনুযায়ী কাজ করে। যার অর্থ হল প্রতিটি হরমোন, মস্তিষ্কের প্রতিটি কোষের প্রতিটি রাসয়নিক, প্রতিটি এনজাইম নি:সারিত হয় এই ঘড়ি ধরে, এমনকী এই ঘড়ি ধরেই শরীরের প্রতিটি জিন তার কাজ করে যায়,'' বলছেন ড: পাণ্ডা।


''গবেষণায় আমরা দেখেছি এই ঘড়ির নিয়ম মেনে শরীর খাদ্য হজম করতে এবং তার থেকে পুষ্টি আহরণ করতে পারে মাত্র আট থেকে দশ ঘন্টা পর্যন্ত - বড়জোর ১২ ঘন্টা পর্যন্ত।''


''এই সময়ের বাইরে আমাদের দেহঘড়ি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে - যেমন শরীরের কোন কোষ মেরামত করা বা কোষ পুনরুজ্জীবিত করার কাজে।''



ড: পাণ্ডা বলছেন সবকিছুর জন্যই আদর্শ সময় আছে- ঘুমের জন্য যেমন, খাওয়ার জন্যও তেমনি।


ভুরিভোজের সময় বা উপোষের সময়

ড: পাণ্ডা এবং তার সহকর্মীরা একইধরনের দু্ই দল ইঁদুরের ওপর তাদের গবেষণা চালান ২০১২ সালে। প্রথম দলটিকে তারা খেতে দেন বেশি চর্বিওয়ালা এবং বেশি চিনিযুক্ত খাবার এবং এমনভাবে তাদের খেতে দেওয়া হয় যাতে দিনের যে কোন সময় তারা খেতে পারে।


দ্বিতীয় দলটিকে খেতে দেওয়া হয় একইধরনের, একই মাপের ক্যালরিযুক্ত খাবার- কিন্তু তাদের খাবার জন্য ৮ ঘন্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়।


ড: পাণ্ডা বলছেন ১৮ সপ্তাহ পর দেখা যায় প্রথম দলের ইঁদুরগুলো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এবং তাদের ওজন বেড়ে গেছে, সেইসঙ্গে তাদের কোলেস্টরলের মাত্রা বেড়ে গেছে এবং অন্ত্রের রোগ দেখা দিয়েছে।


কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে যে ইঁদুরগুলো একই খাবার খেয়েছে কিন্তু খেয়েছে বেঁধে দেওয়া আট ঘন্টার মধ্যে, সেগুলো কোনধরনের রোগে আক্রান্ত হয়নি।

গবেষকরা বলছেন দেহঘড়ির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য সুফল বয়ে আনে।


ড: পাণ্ডা ব্যাখ্যা করছেন যখন আমরা খাওয়া থামাই, তখন পরিবেশ ও খাবার থেকে যেসব বিষাক্ত জিনিশ আমাদের শরীরে ঢোকে, শরীরের কোষগুলো সেগুলো শরীর থেকে বের করে দেবার প্রক্রিয়া শুরু করে। এসময় কোলেস্টেরল কমে, মাংসপেশী, চামড়া ও অন্ত্রের ভেতরকার আবরণ এমনকী ডিএনএ-ও মেরামত হয়।


তিনি বলছেন ৮ থেকে ১০ ঘন্টার বাইরে যখন কিছু খাওয়া হয়, তখন এই মেরামতের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। শরীর তখন ওই নতুন খাবার হজম করার এবং তার থেকে পুষ্টি আহরণের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।


''নির্দিষ্ট সময় বিরতি দিয়ে খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ''বিশ্রাম দিয়ে খাওয়া'' বা ''টাইম রেস্টেড ইটিং'' বলা হয়।''


ড: পাণ্ডা বলছেন, ৮ থেকে ১০, বড়জোর ১২ ঘন্টার মধ্যে খাওয়ার উপকারিতা সবচেয়ে বেশি। এই সময়ের বাইরে স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেও তা শরীরের জন্য অদরকারি হয়ে উঠতে পারে।


তিনি বলছেন তারা একটি গবেষণায় আরও দেখেছেন যেসব মহিলা প্রতি রাতে একটানা ১৩ ঘন্টা না খেয়ে থাকছেন, তাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি খুবই কম।


২০১৫ সালে ড: পাণ্ডা স্বেচ্ছায় পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী এমন কয়েকজন ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে গবেষণা চালান। এরা দিনে ১৪ ঘন্টার বেশি সময় ধরে খেতেন। এদের ১৬ সপ্তাহের জন্য খাওয়ার সময় কমিয়ে আনা হয় ১০ থেকে ১১ ঘন্টায়। তারা আগে যা খেতেন তাই খান ঐ ১১ ঘন্টা সময়ের ভেতর।


ড: পাণ্ডা দেখেন খাবার সময় কমিয়ে আনার পর তাদের ওজন কমেছে। তারা আগের তুলনায় আরও চাঙ্গা বোধ করছেন এবং তারা আগের তুলনায় ভাল ঘুমাচ্ছেন।



যারা শিফটে কাজ করেন তারা কখন খাচ্ছেন সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা উচিত


যারা শিফটে কাজ করেন

শিফটে যারা অনবরত কাজ করেন ঠিক সময়ে খাওয়া তাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।


কিন্তু ড: পাণ্ডার মতে সেটা মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।


তিনি বলছেন, ''ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথমবার খাওয়ার আগে একঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর ৮ থেকে ১০ ঘন্টা হাতে রাখুন খাওয়ার জন্য। আবার যখন কাজের সময় নিয়মিত হবে তখন পুরোন নিয়মে ফিরে যান।''


রাতের বেলা ঘুম থেকে উঠে এটা সেটা খাওয়া বা ছুটির দিনে খাওয়ার নিয়ম ভেঙে সারাদিন ধরে টুকটুাক খাওয়া শরীরের জন্য ভাল নয় বলে বলছেন ড: পাণ্ডা। তিনি বলছেন এধরনের অনিয়ম মানুষের হজমের প্রক্রিয়া ব্যাহত করে। এবং শরীরের ভেতর যে ''স্বাভাবিক ঘড়িটা'' কাজ করে তার ছন্দপতন ঘটায়


 

স্বাস্থ্যের জন্য উপকার

  1. হার্টের জন্য উপকারিতা। সার্ডিনে একসাথে বেশ কয়েকটি পুষ্টি থাকে যা হৃদরোগ এবং রক্তনালীর রোগের চিকিত্সা এবং প্রতিরোধের জন্য দরকারী। ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও, ভিটামিন বি 12, যা গ্লুকোজ বিপাকের সাথে জড়িত, তাও গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিটামিন উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়, যখন ফ্যাটি অ্যাসিড রক্ত ​​জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে, যার ফলে স্ট্রোক এবং এথেরোস্ক্লেরোসিস প্রতিরোধ করে।
  2. সুস্থ হাড়ের জন্য, সার্ডিন আমাদের ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ফসফরাস (পরেরটি হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে) সরবরাহ করে। টিনজাত মাছের হাড়গুলি নরম, তাই এগুলি অতিরিক্ত ক্যালসিয়ামের জন্যও খাওয়া হয়।
  3. ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে: ভিটামিন ডি, সেলেনিয়াম এবং ফ্যাটি অ্যাসিড। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে সার্ডিনের নিয়মিত ব্যবহার নিম্নলিখিত ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে: কলোরেক্টাল, প্রোস্টেট এবং স্তন, লিউকেমিয়া, মাল্টিপল মাইলোমা এবং আরও কিছু।
  4. সার্ডিন থেকে প্রাপ্ত মাছের তেল, বিশেষ করে উচ্চ ঘনত্বের ভিটামিন ডি দ্বারা ইমিউন সিস্টেম সমর্থিত হয়।
  5. সার্ডিন চোখের জন্য ভাল এবং বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য সুরক্ষা প্রদান করে। ওমেগা-3 এর ভালো মাত্রা সম্বলিত সামুদ্রিক খাবারের নিয়মিত ব্যবহারে, শুষ্ক চোখের সিন্ড্রোম (চোখের ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট সম্পর্কে সবচেয়ে সাধারণ অভিযোগগুলির মধ্যে একটি) হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
  6. পশু গবেষণায় ডায়াবেটিস মেলিটাসের জন্য সাহায্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এই মুহুর্তে, বিজ্ঞানীরা জানেন যে সার্ডিনে থাকা প্রোটিন কোষের ইনসুলিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে - ডায়াবেটিসের বিকাশের অন্যতম প্রধান কারণ।
  7. আপনি ওজন কমানোর জন্য সার্ডিনও খেতে পারেন, কারণ মাছের ওমেগা-3 শ্রেণীর পদার্থ বিপাককে ত্বরান্বিত করে এবং অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি রোধ করে।
  8. সার্ডিনের ত্বক এবং চুলের উপকারিতা বিভিন্ন কারণ থেকে আসে। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে, কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উৎপাদনকে উৎসাহিত করে, চুলের ফলিকল পুষ্ট করে এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। সেলেনিয়াম এবং জিংক ত্বকের কোষগুলিকে সময় এবং ফ্রি র rad্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং বলি তৈরিতে বাধা দেয়।

 মাছ খেতে কমবেশি সকলেই পছন্দ করেন। তবে আপনি কি জানেন, কিছু মাছ বিশ্বের সেরা খাদ্য আইটেমগুলির মধ্যেও গণ্য হয়। তবে সমস্ত মাছ সালমন এবং সার্ডিনের মতো পুষ্টিকর নয়। এই দুটি মাছই আপনাকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। আজকের সময়ে, এটি হৃদপিণ্ডের যত্ন নেওয়া বা এটি সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মাছগুলি গ্রহণ করে, আপনি ডিমেনশিয়া এবং আলঝেইমার জাতীয় রোগ থেকেও বাঁচতে পারেন। আপনি যদি নিয়মিত সালমন সেবন করেন তবে এটি হতাশা বা স্ট্রেস থেকে আপনাকে রক্ষা করে।

সেরা তালিকায় রয়েছে রসুন

রসুন বহু শতাব্দী ধরে রোগের চিকিত্সায় ব্যবহৃত হয়, এটি আমাদের রান্নারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। রসুনে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার ম্যাঙ্গানিজ এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ। বলা হয় এর বৈশিষ্ট্যগুলি আপনার দাঁত থেকে আপনার মস্তিস্কের পক্ষে উপকারী। এ ছাড়া রসুনের অভ্যন্তর উপাদানগুলি আপনার শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সাহায্য করে। সরল চেহারা রসুন আপনাকে কোলন ক্যানসার এবং পেটের ক্যানসার থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। কাঁচা রসুন বহু শতাব্দী ধরে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বাদামের বহু গুণ

শুকনো ফলের ক্ষেত্রে সর্বাধিক পছন্দের বাদাম আপনার শরীরকে পুরোপুরি সুস্থ রাখতে পারে। এটি জানা যায় যে বাদামের অভ্যন্তরে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ই, তামা, ম্যাগনেসিয়াম এবং রাইবোফ্লাভিন পাওয়া যায়। এছাড়াও, বাদাম পটাসিয়াম, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন বি, নিয়াসিন, থায়ামিন এবং ফলিক অ্যাসিডের একটি দুর্দান্ত উত্স। মানুষ বিভিন্ন উপায়ে বাদাম খেয়ে থাকে। তবে ভেজানো বাদাম খাওয়া সবচেয়ে উপকারী বলে মনে করা হয়। বাদাম আপনাকে বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড দেয়। যা পেশী পুনরুদ্ধারের জন্য উপকারী। এটি খারাপ কোলেস্টেরলের একটি দুর্দান্ত অস্ত্র। বাদামের মাধ্যমে খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস করা যায়। বাদামে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস রয়েছে যা হাড়কে মজবুত রাখতে সহায়তা করে। বেশি পরিমাণে সেলেনিয়াম আপনাকে স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন ই কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। আপনার যদি ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকে তবে এটি আপনার পক্ষে খুব উপকারী। এতে উপস্থিত ফাইবার এবং প্রোটিন শরীরে চিনির মাত্রা বজায় রাখে, যা ডায়াবেটিসের রোগীদের উপকার করে।

বাঁধাকপি

বাঁধাকপি, ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং ব্রোকলি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী বলে মনে করা হয়। এই সবজিতে ভিটামিন সি, ফাইটোনিট্রিয়েন্টস, ফোলেট ভিটামিন ই এবং ফাইবার জাতীয় পুষ্টি থাকে। তারা আপনাকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।

আপনি কি চিয়া বীজ সম্পর্কে জানেন?

চিয়া বীজ বা বীজ আপনাকে অনেক মারাত্মক রোগ থেকে দূরে রাখতে আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। চিয়া বীজগুলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন রয়েছে। এটি ছাড়াও এটি ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড, শর্করা এবং ফাইবারের একটি ভালো উত্স। এছাড়াও এই ছোট বীজে ক্যালসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। সমীক্ষা অনুসারে, নিয়মিত চিয়া বীজ গ্রহণ হার্টের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চিয়া বীজ দুগ্ধজাত পণ্যের একটি দুর্দান্ত বিকল্প হিসাবেও বিবেচিত হয়। কারণ এগুলিতে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এটি রক্তে চিনির উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হিসাবেও বিবেচিত হয়।

চিনাবাদাম

চিনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। আপনি এই সমস্ত উপাদানগুলি চিনাবাদাম এবং চিনাবাদামের মাখনে পাবেন। এ ছাড়া চিনাবাদামের অভ্যন্তরে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কম। গর্ভাবস্থায় মহিলাদের বায়োটিনের প্রয়োজন হয় যা আপনি চিনাবাদামের ভিতরে খুঁজে পান। চিনাবাদাম ত্বকের জন্য যেমন উপকারী হিসাবে বিবেচিত হয় তেমনি এন্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। চিনাবাদামের অভ্যন্তরের যে বৈশিষ্ট্যগুলি পাওয়া যায় সেগুলি হৃদয়ের যত্ন নিতেও সক্ষম বলে মনে করা হয়। চিনাবাদামের বৈশিষ্ট্যগুলিও কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সহায়তা করে।

কালো রাজমার নাম শুনেছেন নিশ্চই

খুব কম লোক কালী রাজমা ব্যবহার করেন। তবে এর ভিতরে থাকা পুষ্টিগুলি অত্যন্ত চকচকে। এটি আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। এর সুবিধাগুলি এরকম। কালী রাজমার ভিতরে থাকা উপাদানগুলি আপনার হাড় এবং জয়েন্টগুলি সুস্থ রাখতে সহায়ক। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস সহজেই রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রাখে। ফাইবার সমৃদ্ধ কালো মটরশুটি শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তে চিনির মাত্রা বাড়তে বাধা দেয়। কালো মটরশুটি আপনার অন্ত্রের জন্যও উপকারী।

সবুজ শাকসবজি

আপনি অবশ্যই সবুজ শাকসবজির গুণ সম্পর্কে জানেন। সবুজ শাকসব্জির ভিতরে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, আয়রন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। এগুলি ছাড়াও সবুজ শাকসব্জীতে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উত্স হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি এর বৈশিষ্ট্য যেমন ফাইটোকেমিক্যালস এবং বি-ক্যারোটিন ফ্ল্যাভোনয়েডগুলির জন্যও পরিচিত। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে সবুজ শাকসবজি কেবল হার্ট সম্পর্কিত সমস্যাগুলি হ্রাস করে না, ক্যানসারের মতো রোগের সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। এগুলির মধ্যে ভিটামিন A আপনার চোখের জন্য উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

আখরোট

আখরোট বাদাম হিসাবেও পরিচিত। আখরোটকে প্রোটিন, পটাসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভাল শ্রোতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই উপাদানগুলির কিছু সুবিধা নিম্নরূপ। হার্ট অ্যাটাকের কারণে ফোলাভাব ঘটে যা আখরোট বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর বলে বিবেচিত হয়। এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধেও সহায়তা করে। খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। অন্ত্রের ভালো ব্যাকটিরিয়া বাড়ায়। চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

দই

দই খাওয়া কেবল উপকারী নয়, এটি আপনার খাবারকেও সুস্বাদু করে তোলে। এর ভিতরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এছাড়াও, দইতে প্রোবায়োটিক বৈশিষ্ট্যও রয়েছে যা ভাল ব্যাকটিরিয়া বাড়াতে এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়া হ্রাস করতে কাজ করে। এটি পেটকে ঠান্ডা করে এবং পেট সম্পর্কিত অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে। খাবারের সঙ্গে প্রতিদিন দই খাওয়া আপনাকে সুস্থ রাখবে। এখন আপনি যদি এই সমস্ত খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের কথা ভাবছেন তবে মনে রাখবেন যে কোনও কিছুর অতিরিক্ত ব্যবহার কেবল ক্ষতিকারক। অতএব, এই উপাদানগুলি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পরিমাণে গ্রাস করুন।

Web Title : list of most nutrient dense foods on the planet a nutritionists views
Bengali News from EI Samay, TIL Network
অ্যাপে পড়ুন

 রাজমায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ এবং ভিটামিন কে, যা শরীরে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ উপকারী।   এছাড়া রয়েছে আয়রন, যা রক্তে লোহিতকণিকার পরিমাণ ঠিকঠাক রাখে এবং পাশাপাশি শরীরকে প্রচুর এনার্জি সরবরাহ করে। পাশাপাশি রাজমায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি১ বা থায়ামিন। এই ভিটামিনটি স্মৃতিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে

 দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও খনিজ উপাদানের জন্য এক মুঠো বাদামই যথেষ্ট। এর বেশি যখনই খাবেন, তখন তা ক্যালরির পরিমাণ বাড়াবে। ফ্যাটযুক্ত মাত্র তিন মুঠো বাদামে রয়েছে প্রায় ৫২৫ ক্যালরি। তাই অতিরিক্ত বাদাম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

 

সবজি: সকালের নাশতার জন্য তৈরি ডিম ভাজিতে বেশি ভিটামিন ও খনিজ যুক্ত করার উপায় হলো এতে সবজি যুক্ত করা। ডিমের মধ্যে গাজর, ব্রোকলি বা পালং শাক যুক্ত করতে পারেন। এতে ডিম ভাজির পুষ্টিগুণ বেড়ে যাবে এবং পেট ভরা থাকবে। বাড়তি খাবার গ্রহণ কমাবে। সরাসরি ডিমে সবজি যুক্ত করতে পারেন বা এসব সবজির মধ্যে ডিম যুক্ত করে খেতে পারেন।

 

কাজু বাদাম কেন খাবেন

কাজু বাদাম কেন খাবেন

কিডনি বা শিমের বীচির মতো দেখতে কাজু বাদামে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা। আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলে সমৃদ্ধ কাজু বাদাম। কাজু বাদামে ভালো ফ্যাট থাকে এবং এতে কোন কোলেস্টেরল থাকেনা। খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমতে সাহায্য করে কাজু বাদাম। অনেকেই মনে করে থাকে চর্বি গ্রহণ বাদ দেয়াটা শরীরের জন্য ভালো, কিন্তু এই কথাটি আসলে সত্যি নয়। সুস্থ দেহের জন্য খাদ্যের সকল ধরণের গ্রুপ থেকেই এমনকি ফ্যাট থেকেও পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। ভালো উৎস থেকে তা গ্রহণ করতে হবে যেমন- কাজু বাদাম। তাছাড়া কাজুতে অলেইক এসিড থাকে যা হার্টের জন্য অনেক উপকারী।কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ যা শক্ত হাড়ের জন্য, মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয়। আমাদের শরীরে দৈনিক ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য।কাজুতে উচ্চমাত্রার কপার থাকে তাই এনজাইমের কাজে, হরমোনের উৎপাদনে এবং মস্তিস্কের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও লাল রক্ত কণিকার উতপাদনেও সাহায্য করে বলে অ্যানেমিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে। কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে এবং  মাইগ্রেনের সমস্যা হয় যাদের তাদের না খাওয়াই ভালো। বিভিন্ন ধরণের কাজু বাদাম পাওয়া যায় যেমন- লবণাক্ত, সিদ্ধ বা মশলাযুক্ত। হাইপারটেনশনের রোগীদের সল্টেড কাজু না খাওয়া ভালো।কাজু বাদামে সেলেনিয়াম থাকে এবং ভিটামিন ই থাকে যা ফ্রি র্যাণডিকেলের জারণ প্রতিরোধ করে। যার ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কাজুতে প্রচুর জিংক থাকে বলে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। এই বাদামটিতে সোডিয়াম কম থাকে এবং পটাসিয়াম বেশি থাকে। যার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে


 দৈনিক ৫০০ ক্যালরি কমাতে যে কয়টি নিয়ম আপনাকে মেনে চলতে হবে—


দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও খনিজ উপাদানের জন্য এক মুঠো বাদামই যথেষ্ট। এর বেশি যখনই খাবেন, তখন তা ক্যালরির পরিমাণ বাড়াবে। ফ্যাটযুক্ত মাত্র তিন মুঠো বাদামে রয়েছে প্রায় ৫২৫ ক্যালরি। তাই অতিরিক্ত বাদাম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, টিভির সামনে খেতে বসলে আরও ২৮৮ পরিমাণ ক্যালরির খাবার বেশি খাওয়া যায়। বরং টেবিলে খাওয়াদাওয়া, টিভি সেটের সামনে ঘণ্টা খানেক হাঁটাহাঁটিতে দৈনিক ৫২৭ ক্যালরি থেকে রক্ষা পাবেন।

সালাদ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনে হলেও বর্তমানে সালাদে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয়, তাতে অধিক ক্যালরি থাকে। ভাজা পেঁয়াজ, মাশরুম ও অন্য উপাদান মিলে এতে ৫০০-এর অধিক ক্যালরি থাকতে পারে।

গবেষকদের মতে, একটি ১২ ইঞ্চি প্লেটের বদলে ১০ ইঞ্চি প্লেটে খাবার খেলে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম খাওয়া হয়, যা আপনাকে বিরত রাখতে পারে ৫০০ ক্যালরি শক্তি সঞ্চয় থেকে।

ডেজার্টজাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকুন। পুরো দুধ কিংবা ক্রিম যুক্ত কফি, সিরাপ তৈরি করে ৬৪০ ক্যালরি। বরং বেছে নিতে পারেন ব্ল্যাক কফিকে।

বড় বাক্সে করে স্ন্যাকস খাবেন না। কেননা, নয় আউন্সের একটি পাত্রের স্ন্যাকসে থাকে ১ হাজার ২৬০ ক্যালরি।



 ওজন কমাতে চাইলে ‌ফ্যাট এডাপটেশনের মাধ্যমে শুরু করেন। প্রথম ৭ দিনের খাবারের তালিকাঃ

‌কিছু পরামর্শঃ

‌* রাত ১০ টার মধ্যে ঘুমাবেন।

‌* সকালে খালিপেটে এক ঘন্টা হাটবেন।

‌* শরীরে রোদ লাগাবেন।

‌* বিকেলে খালিপেটে এক্সারসাইজ করবেন।

‌* সারাদিনে ২.৫- ৩ লিটার পানি খাবেন। 

‌* কচি ডাবের পানি খাবেন। 

‌প্রথম তিনদিনের খাবারের তালিকাঃ

‌* সকালে হেটে আসার পর , ৮ টার পরে

‌* আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ + আদার রস + লেবু রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

‌* ডিম ২ টা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* বাদাম ৪০ গ্রাম ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* গ্রীন টি খাবেন। 

‌দুপুর ২ টাই:

‌* আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ + আদার রস + লেবু রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন

‌* তৈলাক্ত মাছ/চর্বি সহ মাংস/ কলিজা ১০০ গ্রাম খাবেন।

‌* ডিম ২ টা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌*প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন।

‌* সালাদ খাবেন।

‌বিকেলে এক্সারসাইজ করার পরে:

‌* বাদাম ৩০ গ্রাম ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* সালাদ।

‌* বুলেট কফি খেতে পারেন।

‌রাতে ৭ টার মধ্যে: 

‌* আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ + আদার রস + লেবু রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

‌*তৈলাক্ত মাছ/চর্বি সহ মাংস/কলিজা ৫০ গ্রাম খাবেন।

‌* ডিম ২ টা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন।

‌* সালাদ খাবেন।

‌তিন দিন এভাবে খাবার পর শেষ চারদিনের খাবার তালিকাঃ

‌দুপুর ২ টাই খাবেন:

‌* আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ + আদার রস + লেবু রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

‌* বাদাম ৪০ গ্রাম ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* ডিম ২ টা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* তৈলাক্ত মাছ/চর্বি সহ মাংস/কলিজা ১০০ গ্রাম খাবেন।

‌* প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন।

‌* সালাদ খাবেন।

‌রাতে ৭ টার মধ্যে খাবেন: 

‌* আপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ + আদার রস + লেবু রস এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাবেন।

‌* বাদাম ৩০ গ্রাম ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌* ডিম ২ টা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।

‌*তৈলাক্ত মাছ/চর্বি সহ মাংস/কলিজা ৫০ গ্রাম খাবেন ।

‌* প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন। 

‌* সালাদ খাবেন।  


এভাবে খেতে থাকুন। ৭ দিন পর থেকে ওয়াটার ফাস্টিং বা ফাস্টিং /রোজা শুরু করবেন। কোন সমস্যা হলে গ্রুপে পোস্ট করবেন।

ফ্যাট অ্যাডাপটেশন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে স্যারের ভিডিওটি ফলো করুন



 চর্বি পাকস্থলিতে জমা হয়। রসবাহী ধমণী (লিম্ফ্যাটিক ভেসেল), যেগুলোকে ল্যাকটিওস বলা হয়, এর মাধ্যমে চর্বি জমা হয় পাকস্থলিতে।"


 ৪. টমেটো


টমেটো প্রধানত শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারা বছরই টমেটো কিনতে পাওয়া যায়। উপমহাদেশীয় রান্নায় বেশ বড় একটি স্থান দখল করে আছে টমেটো। তবে রান্না করে খাওয়ার চেয়ে টমেটো কাঁচা খাওয়া ভালো। টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা আগুনের তাপে নষ্ট হয়ে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের মতে, টমেতো সালাদ হিসেবে বা জুস করে খাওয়াই উত্তম।


৫. রসুন


রসুন কাঁচা খেতে হবে, এটা শুনে হয়তো অনেকের কাছেই অদ্ভুত লাগতে পারে। তবে কাঁচা রসুনের রয়েছে অনেক গুণ। সকাল বেলায় খালি পেটে রসুনের একটি কোয়া কুচি করে কেটে একটু মধুর সঙ্গে যদি প্রতিদিন খাওয়া যায়, তবে তা দূরে রাখবে ফুসফুসের ক্যানসার থেকে। রসুন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।


৬. বাদাম


ভাজা বাদাম খেতে পছন্দ করে অনেকেই। তবে তা লবন দিয়ে হালকা না ভেজে একদম কাঁচাই খাওয়া হয় তা শরীরের জন্য বেশি সুফল বয়ে আনে। বাদাম ভাজার সময় লবণ বা চিনির ব্যবহার, এতে থাকা ক্যালরির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। সেইসঙ্গে আগুনের তাপ বাদামে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই আমন্ড, কাজু বা পেস্তা, বাদাম যেটাই হোক না কেন, সেটা কাঁচা খাওয়াটাই ভালো।


৭. ব্রোকলি


সবজির মধ্যে ব্রোকলি খুবই জনপ্রিয়। যারা স্বাস্থ্য সচেতন, তাদের প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে ব্রোকলির থাকেই। এতে রয়েছে আন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং প্রোটিন। এই গাড় সবুজ রঙের সবজিতে আরও কিছু উপাদান রয়েছে যা ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। তাই প্রতিদিনের খাবারে ব্রোকলি রাখা খুবই জরুরি।


এটি এক বা দুই মিনিট আগুনের হালকা আঁচে রান্না করা যায়, তবে ব্রোকলিকে কখনোই অতিরিক্ত সিদ্ধ করা যাবে না। কাঁচা খেতে হলেও ভালো করে লবণ পানিতে ধুতে হবে।

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget