সুুন্নাহর জ্ঞান হচ্ছে আপট-ুডেট বিজ্ঞান

সুুন্নাহর জ্ঞান হচ্ছে আপট-ুডেট বিজ্ঞান

মমিনুল ইসলাম মোল্লা, 

রাসুলে আকরাম (সাঃ) বিশ্ববাসীর জন্য রহমতরুপে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি স্বাস্থ্য রক্ষায় বহু নির্দেশনা দিয়ে গেছেন এগুলো বর্তমানে মুসলিম ও অমুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণও যুক্তিসঙ্গতভাবে অনুসরণ করেছেন।
আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন বলেছেন, “ আমি আপনাকে পৃথিবীতে রহমতস্বরুপ প্রেরণ করেছি। ” রহমত শুধুমাত্র জান্নাত/জাহান্নাম সম্পর্কিত বিষয়েই নয়। পার্থিব জীবনেও তার নির্দেশ পালন মুসলমানদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। মুসলমানদের উপর ৫ ওয়াক্ত নামাযকে সময়মত পড়ার জন্য নির্দেশ করা হয়েছে।  নামাযের মধ্যে শেফা রয়েছে।  হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার আমার পেটে ব্যাথা হচ্ছিল, তখন রাসুল (সাঃ) আমার দিকে মনযোগ দিয়ে ইরশাদ করেন, তোমার পেটে কি ব্যাথা হচ্ছে ? আমি বল্লাম. জ্বী হ্যা, হে আল্লাহর রাসুল । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন- “ দাঁড়াও এবং নামায আদায় কর। কেননা নামাযের মধ্যে শেফা রয়েছে ( সুনানে ইবনে মাজা-৩৪৫৮)। ডাক্তার মুহাম্মদ আলমগীর খানের মতে, নামায থেকে যেমন আত্মিক আনন্দ এবং প্রশান্তি লাভ হয়, ঐরুপ এর মধ্যে দৈনিক স্বাস্থ্যের বিষয়াদি মওজুদ আছে। ” নামাজের আরকান যদি উত্তমভাবে এবং নিয়ম মতো আদায় করা যায়। তাহলে এর দ্বারা কয়েক প্রকারের শারিরিক রোগ থেকেও মুক্তি অর্জন সম্ভব। আল্লাামা মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আসসালিহী “ সুবলুল হুদা ” এর মধ্যে উল্লেখ করছেন , যদি জ্ঞানের একশত অংশ ধারণা করা যায় তাহলে তার মধ্যে ৯৯ ভাগ আল্লাহতায়ালা স্বীয় নবীকে প্রদান করেছেন। ( সুবুলুল হুদা খন্ড ৭, পৃ ১১ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ছালেহী )। ইসলামে জ্বীনা ব্যাভিচারের স্থান নেই। যখন কোন যুবক -যুবতী একককীত্ব অবলম্বন করে তখন তাদের তৃতীয় সঙ্গী হচ্ছে শয়তান। সমাজে জ্বিনা ব্যাভিচার বেড়ে গেলে সেখানে আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়। আস্তে আস্তে তা ধ্বংসে পতিত হয়। এক হাদিসে রাসুল সাঃ বলেন, যে সমাজে জ্বিনা ব্যভিচার বেড়ে যায় সেখানে মহামারি দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, পর্নোগ্রাফী , মাদকদ্রব্য ইত্যাদি নেশাজাত দ্রব্য। এসব দ্রব্য সেবনে যারা জড়িয়ে পড়ে তাদের ব্রেণের ফরেন্টাল এরিয়ার , আমাদের পরিচালনা করার ইনটেলেক্চুয়াল সেলগুলো থর থর করে কাঁপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়, তার ফলে অসুস্থের মত জীবন যাপন করে এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।  অজুর মাধ্যমে আমরা পবিত্রতা লাভ করি। এসময় আমরা হাতের কব্জি, মুখমন্ডল, মুখের ভেতর, কনুই পর্যন্ত হাত, মাথামাসহ ও দুই পা গোড়ালি পর্যন্ত ধুয়ে থাকি ( মুসলিম)। অন্যদিকে বিজ্ঞান দ্বারাও অজুর উপকারিতা প্রমাণিত। ডাঃ মুহাম্মদ তারেক মাহমুদ বর্ণনা করেছেনঃ  অযুর দ্বারা শরীরের ঐ অংশ পরিষ্কার হয় যে অংশটুকু শরীরে রোগ বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের মাধ্যম। আধুনিক বিজ্ঞান বিজ্ঞানীদেও মতে , ব্যক্টেিেরয়া, ভাইরাস, ও অন্যান্য এমন সব ক্ষুদ্র জীবানূ আকাশে বাতাসে বিচরণ করছে যা সব সময় মানুষের মুখ, চোখ, নাক, কান, এমনকি লোমকুপসহ বিভিন্ন পথ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। ঘুম থেকে উঠে অজুর পানিতে হাত দেয়ার আগে ভাল ভাবে দু হাত পরিষ্কার কারার কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে, হাতে সাধারণত ময়লা ও জীবানু থাকে। মুখে পানি দেয়ার পূর্বে সে জীবানু পরিষ্কার না করলে তা মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আমরা ভাত খাওয়ার পর ভালভাবে কুলি করি। এছাড়া ওজু করার সময় গড়গড়ার সাথে কুলি করতে হয়। যদি খাদ্য কনা দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে তাহলে তাতে ব্যক্টেিেরয়ার বিস্তরণ ঘটে। এ ব্যক্টেরিয়া প্রতি ৩০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর ২টি করে বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। এ ব্যক্টেরিয়া অনুবিক্ষণ যন্ত্র ছাড়া খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। দন্ত চিকিৎসকগণ মনে করেন দাঁতের রোগের প্রধান কারণ দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকনা। তাছাড়া এ খাদ্য পাকস্থলীতে গিয়ে রোগের সৃষ্টি করে। ফ্রান্সের প্রাচ্যবিদগণ একথা স্বীকার করেছেন যে, রাসুল সাঃ বুঝ ও মতের দিক দিয়ে অত্যন্ত পরিপূর্ণ ছিলেন। তিনি লিখেছেনঃ রাসুলুল্লাহ সাঃ তিনি তো সম্পূর্ণ নিরক্ষর ছিলেন ( যিনি কোন শিক্ষকের নিকট পড়েননি) ছিলেন। অথচ জ্ঞান ও মতামতের দিক থেকে সকলের থেকে ধীশক্তি সম্পন্ন ছিলেন। খাদ্য শরীরের মাঝে বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে দেহকে শক্তি যোগান দিয়ে থাকে। মানুষ যদি সাময়িক সময়ের জন্য খাদ্য ,খাওয়া থেকে বিরত থাকে তাহলে শক্তি ভান্ডার থেকে তার চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী কাজের পরিপ্রেক্ষিতে কমপক্ষে একমাস শক্তি সরবরাহ করতে পারে। তাই রোজার মধ্যে যে অসংখ্য উপকার রয়েছে তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, সিয়াম সাধনা করলে  ( সওয়াব ছাড়াও ) স্বাস্থ্য লাভ করবে। ( তাবরানী) । সিয়াম মানুষকে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ কওে ডায়াবেটিস , স্থুলকায়ত্ব, ও বিভিন্ন রোগে রোজা নিরাময়ক হিসাবে কাজ করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানী ম্যাক ফ্যাডেন বলেছেন- সিয়াম সাধনা করলে বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ সাধিত হয়।” ইসলাম বিবাহ বহির্ভুত নারী-পুরুষের মেলামেশা নিষিদ্ধ করেছে। এত মুসলমানদের জন্য বহু কল্যাণ রয়েছে। ১৯৮১ সালে এইডসের জীবানূ সনাক্ত করা হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসাবে অবাধ যৌনাচারকে বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন। আমেরিকার বিখ্যাত গবেষক চিকিৎসক ডনডেস সারলাইস বলেন, বিভিন্ন দরণের পতিতা ও তাদের পুরুষ সঙ্গীরা এইডস সৃষ্টি ও লালন-পালন করে ছড়ায়। ইসলাম হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীগমণ সম্পূণূরুপে নিষিদ্ধ করেছে। এটিও একটি বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত। ডাঃ মোহাম্মদ গোলাম মুযায়যাম তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, ঋতুুর সময় স্ত্রী মিলন নিষিদ্ধ হওয়া সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যনীতি সম্মত যুক্তিভিত্তিক। ঋুতুর সময় জরায়ুর নি¤œমুখ স্বাভাভিক বন্ধ অবস্থায় থাকে না। তখন এর মুখ কোলঅ থাকে ফলে রক্ত বের হতে পারে। সেসময় রোগ জীবানূ পুরুষেরও ক্ষতি করতে পারে। তাই ডাঃ গ্রাহাম বলেন, ঋতুর সময় মিলন নিষেধ করার কারণ মানসিক নয় বরং স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সম্মত। 
বর্তমানে ডাক্তারগণ রোগীদেরকে বিভিন্ন দরণের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছেন। প্রকৃতপক্ষে সুন্নতী নিয়মে খাওয়া-দাওয়া করলে সাধারণত কোন রোগ আক্রমণ কওে না। এশবার কোন এক রাষ্ট্র প্রধান মহানবী সাঃকে উপঢৌকন হিসাবে একজন চিকিৎক পাঠিয়েছেন মদীনায়। চিকিৎসক মদীনায় অনেকদিন থাকলেন। কিন্তু কোন রোগীর দেকা পেলেন না। অবশেষে তিনি নবিজীর নিকট বল্লেন, আমি চলে যেতে চাই। কারণ মদিনঅয় আমি এসেচি চিকিৎমকের দায়িত্ব পালনের জন্য। কিন্তু এপর্যন্ত কোন রোগীর দেখা পাইনি। “ রাসুলের আকরাম সাঃ বলেন- “ আমরা পেটে ক্ষুধা লরাগলে খাই এবং পেট পূর্ণ হওয়ার আগে খাওয়া বন্ধ করি এবং পেট স্বাভাবিক কোন রোগ হয না। রাসুল সাঃ বলেছেন- ধুমপান করা ও জর্দা খাওয়অ হারাম। ( সহিহ বুখারি ৬১২৪ )। বিজ্ঞান দ্বারাও ধূমপানের ক্ষতি প্রমানিত । এর প্রভাবে ফুসফুসের ক্যান্সার ব্যংকাইটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুমপান করলে ঠোঁট ও দাঁতের ক্ষতি হয়। এয়াড়া পুরুষের যৌনশক্তি ও স্মৃতিশক্তি  কমে যায়।  খাওয়ার পর অঅঙ্গুল চেেেট খাওয়া সুন্নত।( তিরমিযি)। চিকিৎসা বিজ্ঞান এ মত সমর্থন করেছেন। খাওয়া শেষ হলে আঙ্গুল চাটার সময় মুখের ভেতর সেলিভারি গ্লান্ড থেকে টায়ালিন নামক এক প্রকার পাচক রস বের হয়, যা কাবার পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পূর্বে প্রায় অর্ধেক হজম হয়ে যায়। ইসলামে  শুকরের মাংস খাওয়া নিষেধ রয়েছে। শুকরের মাংস অপবিত্র ও ক্ষতিকর। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন শুকরের মাংস থেকে ট্রিচিনিয়াসিস এক প্রকার কৃমির জন্ম হয়। এটি সহজেই মানুষের পেটে চলে যায় । কৃমির শুক্রকীট মাংসে পাওয়া যায়। জীববিজ্ঞানীগণ বলেন, যে প্রাণীর গোস্ত অথবা দুধ খাওয়া হয় সে প্রাণীর স্বভাব কিছুটা তাদের উপর প্রতিফলিত হয়। ইসলাম মদকে নিষেধ করেছে। মদ্যপান করার পর নামাজ আদায় করা নিষেধ। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিজ্ঞান একে ক্ষতিকর বলছে। আমেরিকার ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি মেডিকেল প্রফেসর ডাক্তার লোহর জয়ের একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়ৈছে মদের নেশার প্রভাব  পড়ে ব্রেণের উপর। উহা পান করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই রক্তের সাথে মিশে মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাই অল্প পরিমান সেবন করলেও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। 
আমরা পায়খানা-পেশাব করার পর কাগজের তৈরি টিসু ব্যবহার করে থাকি। অথচ রাসুল সাঃ ইস্তিন্জার জন্য মাটির ঢিলা ব্যবহার করতেন। এ ঢিলা বিজোড় সংখ্যক ব্যবহার করা সুন্নত। ঢিলা ব্যবহার সম্পর্কে ডাক্তার হালুক বলেন, মাটি জীবাণু ধ্বংসকারী এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক। লজ্জাস্থানে ক্ষত রয়েছে এমন রোগীকে ডাক্তারগণ ঔষধ হিসাবে মাটির ঢিলা ব্যবহার করার পরমর্শ দেন। এতে রোগীরা উপকার পাচ্ছেন এবং দ্রুত সুস্থ হচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা যায় টিসু পেপারে অনেক ধরণের ক্ষতি হতে পারে। নরম কোমল চিকন টয়লেট পেপার তৈরিতে এমন ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করা হয় যার কারণে চর্ম রোগ , এক্সিমাসহ বহু জটিল রোগ হতে পারে। পানির ব্যবহার কমানো এবং টিসু পেপার ব্যবহারে লজ্বাস্থানের ক্যন্সার হতে পারে। পায়খানায় জুতা পায়ে , মাথা আবৃত করে যাওয়া সুন্নত ( যাদুল মা”দ)। এটি বিজ্ঞান দ্বারাও প্রমাণিত। এতে রোগ জীবাণু বিশেষ করে কৃমির জীবানু পায়ের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। রাসুল সাঃ বলেছেন- পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম  ( মুসলিম )। বিজ্ঞানের মাধ্যমে পুরুষের স্বর্ণ ব্যবহার এর ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। স্বর্ণ যেহেতু যৌগিক পদার্থ তাই তা স্কীনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে মস্তিষ্কে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি বেশি হয় তাহলে মানুষ আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলতে পারে।  বায়হাকী শরিফে আছে- জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাঃ দাঁড়িয়ে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। ইসলাম বসে পেশাব করতে নির্দেশ দান করে। কেননা দাঁড়িয়ে পেশাব করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের  ক্ষতি হয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে পেশাব করলে পেশাবের ছিটা কাপড়ে এবং পায়ে লাগে। এছড়া এতে প্রোস্টেটিটিস এর উপর চাপ পড়ে এবং প্রসারিত হয়ে বেড়ে যায়। এত পেশাবের রাস্তা বাধাগ্রস্ত হয়, ফোঁটায় ফোটায় পেশাব বের হয় এতে বিভিন্ন রোগের জন্ম হয়।   ইসলাম আমাদেরকে ডান কাতে ঘুমানোর পরামর্শ দেয়। বিজ্ঞান বলে ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে।  মুসলমানরা সকাল বিকাল ছাড়াও প্রত্যেক নামাজের পূর্বে মিসওয়াক করেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) ইরশাদ করেন ইহা মাড়ির ব্যাথা দূর করে দাঁত উজ্জল রাখে এবং স্মৃতিশক্তি ও বেড়ে যায়।  মষিÍষ্কের শক্তি অর্জিত হয় এবং এর দ্বারা জীবানু ধ্বংস হয়। রাসুল সাঃ বলেছেন- পুরুষের প্যান্ট/ কাপড় টাখনুর উপর পড়তে , অন্যথায় তা জাহান্নামে যাবে ( সহিহ বুখারি -৫৩৭১ )। বিজ্ঞান বলে- পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে সেক্চুয়াল হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন । তাই কেউ যদি তা ঢেকে রাখে তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং রোগাক্রান্ত হবে।  বিজ্ঞানীরা যখন কোন জটিল সমস্যায় পড়েন মুসলিম/ অমুসলিম সকল বিজ্ঞানী কুরআন- সুন্নাহ থেকে তার সমাধান খোঁজেন। জটিল সমস্যার সমাধান পেয়ে তারা বিস্মত হচ্ছেন ১৪০০ বছর পূর্বে তার সমাধান দেয়া  আছে। যা দেখে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে, দেড় হাজার বছর পূর্বে মহানবী সাঃ যে পদ্ধতি ও অভ্যাসের উদাহরন দেখিয়ে গেছেন, সে অভ্যাস বর্তমানকালের যদি কেউ নিয়মিত পালন করে তবে তার স্বাস্থের জন্য আর নতুন কোন পরামর্শের দরকার হবে না। তাই বলা যায় ইসলাম বেগডেটেড নয় সবসময় আপটুডেট এবং বিজ্ঞানসম্মত ধর্ম।
লেখকঃ মমিনুল ইসলাম মোল্লা, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের  প্রভাষক ও সাংবাদিক, ধর্মীয় গবেষক, কুমিল্লা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

[blogger]

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget