জানুয়ারি 2021
- থাইরয়েড -১ম পর্ব -উপাদানসমূহ -জেনে ’-মন ‘ডি’ ‘মাইন্ড ০টি ১০ ১২ ১৩ ২০২২ ৫০ ভাগ ৬ষ্ঠ ৯ম অক্সিডেন্টের অজানা অজু অজু ঘাড় অজু ঘাড় মাসহ অজু মাতা অতিরিক্ত অনুযায়ী অন্ধত্ব অন্যতম অন্যান্য অপকারিতা অপকারিতাও অপরিহার্য অবস্থায় অব্যর্থ অভাব অভাবজনিত অভাবে অভ্যাস অমলেট অলিভ ওয়েল অসাধারণ অসুখ অসুস্থতা অ্যাটাক অ্যাটাকের অ্যান্টি অ্যান্টিবায়োটিক অ্যাসিডিটির আঁটির আক্রান্ত আখরোট আজ আট আদা আদা- আনতে আপনাকে আপনার আপেল আমড়া আমন্ড আমলকীর আমিষ আমিষের আমের আযান আযান কালিমা আযান জবাব আযান দোয়া আযান ফজিলত আশ্চর্য ইংলিশের ইকামত ইমিউনিটি উচিত উচ্চ উচ্চ রক্তচাপ উচ্চতায় উঠার উৎস উপকার উপকারিতা উপকারিতার উপকারী উপকারী- উপাদান উপাদানের উপায় উপায়ে এইচএসসি এক একটি একসঙ্গে এজমা এড়াতে এডাপটেশনের এবং এমসিটি এমসিটি অয়েল এমসিটি ওয়েল এর এলার্জি এসএসসি এসব ওজন ওজন কমাতে ফাস্টিং ওজন কমানো ওটস ওমেগা- ওমেগা-৬ ওয়াক্ত ওষুধ ওষুধের কচু কঠিন কত কতটুকু কতদিন কফি কম কমবে কমাতে কমান কমানোর কমায় কমায় খালি ،পেটে ،লেবু ،পানি কমিয়ে কমে কয়েকটি করণীয় করবে করবেন করার করুন করে করেন কাউন্ট কাঁচা কাছে কাজ কাজু কাজু বাদাম কাঠবাদাম কাদের কাদের- কারণ কারণে কার্যকারিতা কালোজিরা কাশির কি কিছু কিছু ভুল কিটো ডায়েটিং কিটো ফুড কিডনি কিডনির কিডনী কিনা কীভাবে? কুমড়া কুমড়ো বীজ কে সত্যিকারী কেন কেন? কেন্দ্র কমিটি কোন কোমর কোষ্ঠকাঠিন্য ক্যানসার! ক্যান্সার ক্লান্তি ক্ষতিকর ক্ষতিকর- ক্ষয় ক্ষয়ের ক্ষুধা ক্ষেত্রে খনিজ খাওয়া খাওয়ার খাচ্ছেন খাদ্য খাদ্যের খান খাবার খাবারগুলো খাবারে খাবেন খালি খালি পেটে খাসি খেলে খেলেই খোরমা গরু গর্ভকালে গলা গলাব্যথা গাওয়া ঘি গাজরের গু গুণ গুণাগুণ গুন গোসলকে গ্যাসট্রিকস গ্যাস্ট্রিকের গ্রিণ টি গ্লাস ঘটাতে ঘণ্টা ঘণ্টার ঘনত্ব ঘরে ঘরোয়া ঘরোয়া চিকিৎসা ঘাড় ঘি ঘুম ঘুমানো ঘুমানোর চর্বি চা চা-সিগারেট- চাইলে চাপ চালের চাহিদা চিয়া চিয়া বীজ চুল চুলের যত্ন চোখ ছবি ছেড়ে ছোলা জন্য জমা জয়েন্টে জয়েন্টের ব্যা্থা জরুরি জানা জানুন জিকির জিকির আত্মা জুস জুসের জেনে জ্বালা ঝাল ঝিনঝিন ঝুঁকি টক টক্সিন ঠান্ডার সমস্যা ঠিকমতো ঠেকাতে ডাব ডাবেই ডায়াবেটিকস ডায়াবেটিস ডায়েট ডায়েটিং ডিম ডেকে ণ-ডায়াবেটিস তথ্য তাফসির তাফসির কুরআন তারাবীহ তারাবীহ আট তাসবিহ তাসবিহ নামাজ তুলনায় তুলসি তেঁতুল- তেঁতুলের তেল তেলের তেলের গুণ তৈরি ত্বক পরিচর্যা ত্বক ভালো রাখে ،লেবুর ত্বকের থাকবে থাকলে থেকে থেকেও দই দইয়ের দাওয়াত দাঁত দাঁতের দারুচিনি দারুচিনির দিক দিতে দিবস দিয়ে দুটি দুধ দুপুরে দূর দূরে দেখতে সারডিন দেবেন দেয়া দেরি দেহে দৈনিক দোয়া দোয়া সালাত দ্রুত ধনিয়া ধৈর্য নফল না না এসব নানা নারকেল নারকেল তেল নারী নারী রোজা নাস্তা নিচে নিন নিম নিয়ন্ত্রণসহ নিষেদ নিষেধ নুন-জলে নেই পড়া পড়াসহ পদ্ধতি পদ্ধতি বিজ্ঞান পর পরিত্রাণ পরিবর্তন পরিষ্কার পরীক্ষা পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের পরে পাওয়ার পাঁচ পাঁচটি পাকস্থলিতে পাতা ও ফলে সমাধান পাতার পাথর পান পানি পানিশূন্যতা পানীয়তে পানে পানের পাবেন পায় পায়ে পারে পাশাপাশি পিংক সল্ট পিনাট বাটার পুরুষের পুষ্টি পুষ্টি গুণ পুষ্টিকর পুষ্টিগুণ পেঁপে পেঁপের পেঁয়াজের পেট পেটে পেটের পেটের চর্বি পেয়ারা পেয়ারার পোচের প্রক্রিয়াজাত প্রচণ্ড প্রচলিত প্রচুর প্রতিকার প্রতিদিন প্রতিরোধ প্রতিরোধী প্রত্যেকদিন প্রধান প্রভাব প্রয়োজন? প্রশ্নোত্তর প্রস্রাব প্রস্রাবের প্রস্রাবের সমস্যা প্রাকৃতিক প্রাণঘাতী প্রোটিনের প্লাস্টিকের ফজিলত ফল ফলগুলো ফলাফল ফিজিওথেরাপি ফেলে ফোলাভাব ফ্যটি লিভার ‌‌ফ্যাট বদহজমের বন্ধ বন্ধ্যাত্ব বয়সে বলুন বা বাড়বে বাড়াতে বাড়াবেন বাড়ায় বাড়ে বাদাম বাদাম ওজন ،কমায়، বাদাম মিক্সড বারণ বার্ষিক বালিশের বিকল বিকল্প বিতির বিতির কুনুত বিতির সহীহ বিদেশী ফল বিপদ বিরুদ্ধে বিশেষ বিশ্ব বীজ বুঝবেন বুঝে বৃদ্ধি বেদানা বের বেশি বোঝা বোতলে ব্যথা ব্যবহার ব্যায় ব্যায়াম ভয়ানক ভাজা ভাত ভাব ভালো রাখতে খাবেন ভিজিয়ে ভিটামিন ভিনেগার ভিনেগারের ভুলেই ভুলেও ভেজানো ভেষজ মগজের খাবার মত মতামত মধু মধ্যে মশলায় রোগ সাড়ে মস্তিষ্ক মাইগ্রেনের মাংস মাখরাজ মাখরাজ দোয়াদ মাছ মাছের মাড়ি মাত্র মাত্রাতিরিক্ত মাথাব্যথা মাথার মাথার সমস্যা মাধ্যমে মানবদেহে মানবদেহের মানসিক মারাত্মক মাসায়েল মাসায়েল আযান মিডিয়া মিলবে মিষ্টি মিস্টি কুমড়া মুক্তি মুক্তির মুরগি মৃত্যু মৃত্যুর মেথির মোটা মোটা হওয়ার উপায় মোটা হওয়ার ইপায় মোবাইল মোবাইলের যত যন্ত্রণা যা যাওয়ার যাচ্ছেন? মেটাবলিজম যাদের যাবে যায় যে যেতে যেভাবে যেসব যোগ যোগায় যৌনক্ষমতা যৌবন যৌবন শক্তি র পর রক্ত রক্তচাপের রক্তের রয়েছে রসুন রাখতে রাখবে- রাখার রাজমা রাতে রাতের খাবার রান্নায় রুই রুকু রুকু কোরআন রুটিনে রূপচর্চায় রেখে রেসিপি রোগ রোগীদের রোগীরা রোগে রোগেও রোজ রোদ রোধ রোধে লক্ষণে লড়ে লিভার লিভারে লেবু লেবুর শক্তি শতকরা শরীরকে শরীরে শাক শাকের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শুকনো শুরু শোক শ্রেণির সংবাদ সকালে সকালের সঙ্গে সবজি সবুজ সব্জি সময় সমস্যা সমস্যার সমাধান সমাধান- সমৃদ্ধ সরিষার তেল সর্দি সর্দি- সহায়ক সাওম সাওম আযান সাত সাথে সাধারণ সাফল্য সারাতে সালাত সালাত রং ঈফ সালের সি সিডার সিদ্ধ সিলেবাস সীডের সুস্থ সুস্বাদু সুস্বাস্থ্যের সূর্যমূখী বীজ সূর্যাস্তের স্তর স্পার্ম স্বাস্থ্য স্মৃতিশক্তি হওয়া হওয়ার হজম হতে হবে হয় হয়? হয়ে হলুদ হলে হলো হাঁটুর হাড় হামলা হার্ট হার্টের হার্টের সমস্যা হিমালয়ের হিসেব হিসেবে হৃদরোগ হৃদরোগের হেপাটাইটিস হোয়াটসঅ্যাপ Extra Virgin kito Ok Olive Oil

 


পুরুষের খাদ্য০-কালো চকলেট

এর মধ্যে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড এল-আরজিন। এটি শুক্রাণুর মাত্রা ও বীর্যের পরিমাণ বাড়ানোর উপাদান হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া এর মধ্যে উচ্চ পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে। ফ্রি র‍্যাডিকেল শুক্রাণুর গুণগত মান নষ্ট করে। প্রতিদিন এক কামড় কালো চকলেটও শুক্রাণুর মান বাড়াতে উপকারী।

 


পুরুষের শুক্রাণু বাড়াবে ০-ওয়ালনাট

ওয়ালনাটের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অব রিপ্রোডাকশনের এক গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ৭০ গ্রাম ওয়ালনাট খাওয়া ২১ থেকে ৩৫ বছরের পুরুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর জীবনীশক্তি, ক্ষিপ্রতা বাড়ায়।

ওয়ালনাট সালাদের সঙ্গে খেতে পারেন। এ ছাড়া স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন এ সুস্বাদু বাদামটি।


জলপাইয়ের তেলে টমাটো ০-শুক্র বৃদ্ধি

টমেটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন। এ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শুক্রাণুর গুণগত মান বাড়াতে কাজ করে। টমেটো রান্নার ক্ষেত্রে জলপাইয়ের তেলও দিতে পারেন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শোষণ ভালো হয়।


ওয়াটার ফাস্টিং  এ ০-  করলার জুস

যদিও এটা অনেকেই পছন্দ করেন না এবং শুনতে অরুচিকর মনে হতে পারে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর সম্পূর্ণরূপে দূষণ দূর করে। হজমক্রিয়া উন্নত করে।


ওয়াটার ফাস্টিং এ ০- টক  দইয়ের স্মুদি

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, দই যদি খাদ্যাভ্যাসে রাখা যায়, তবে তা ৬১ শতাংশ মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।


 ওয়াটার ফাস্টিং এ ০-কালো কফি

কালো বা ব্ল্যাক কফিতে যেহেতু কোনো দুধ-চিনি থাকে না। কাজেই এটি দিনে দুই-তিনবার পান করার ফলে তা শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

ওয়াটার ফাস্টিং এ খাবেন ০- গ্রিন টি

দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করলে শরীর থেকে ৩৫-৪০

শতাংশ মেদ ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


মেদ কমাতে পেটের ব্যায়াম
ব্রিস্ক ওয়াকিং: প্রথমে ধীরে ধীরে এক মিনিট হাঁটুন, তারপর গতি বাড়িয়ে জোরে ৩০ সেকেন্ড হাঁটুন। আবার ধীরে এক মিনিট হাঁটুন, আবার জোরে ৩০ সেকেন্ড। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট।
জগিং: প্রথমে এক মিনিট জগিং, তারপর ৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো, তারপর আবার এক মিনিট জগিং ও ৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো। এভাবে ৫ মিনিট।
ক্রাঞ্চ: মাদুর বা ম্যাটে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার হাঁটু ভাঁজ করে বুকের কাছে আনতে চেষ্টা করুন। একই সঙ্গে মাথার পেছনে হাত দিয়ে শরীরটাকে উঠিয়ে হাঁটুর কাছাকাছি নিয়ে যান। হাঁটু মাথা একসঙ্গে আনার সময় শ্বাস নেবেন, আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সময় শ্বাস ছেড়ে দেবেন। দিনে দুবেলা ১০ থেকে ২০ বার করুন।
৯০ ডিগ্রি পা: ম্যাটের ওপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাতের তালু ম্যাটের ওপর থাকবে। এবার পা দুটো জোড়া করে নব্বই ডিগ্রি ওপরে উঠিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। পা সোজা রেখে হাঁটু ভাঁজ না করে নামিয়ে আনুন। ১০ থেকে ২০ বার করুন।

ফ্লাটার কিক: ম্যাটে চিত হয়ে শুয়ে হাত দুটো হিপের নিচে রাখুন। এবার মাথা, কাঁধ ও পা ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ওঠান। এই অবস্থায় দ্রুত পা দুটো ওঠানামা করুন। ৫ থেকে ১০ বার।
পেটের স্ট্রেচিং: চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত সোজা করে মাথার পেছনে নিয়ে যান টানটান করে। একই সঙ্গে পায়ের পাতা টানটান করে মেঝে ছুঁতে চেষ্টা করুন। পেটের পেশিতে টান অনুভব করবেন এতে। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট থাকবেন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।


পেটে চর্বি আছে  কীভাবে বুঝবেন?

পাঁজরের খাঁচার নিচ থেকে হিপবোন বা কোমরের হাড় পর্যন্ত এলাকার ঠিক মধ্যভাগ একটি ফিতা দিয়ে মাপুন। ফিতাটা সোজা করে ধরে জোরে শ্বাস ছেড়ে দিয়ে মাপবেন। নারীদের ৮০ সেন্টিমিটার ও পুরুষদের ৮০ সেন্টিমিটারের ওপর মাপ হলে বুঝতে হবে আপনার পেটে মেদ আছে।


কিটোতে  বৃহস্পতিবার কি খাবেন ?

সকাল: মাংস ও টমেটো দেয়া ডিমের ওমলেট
দুপুর: মাংস, চিজ ও বাদাম
রাত: মাছ ও নারকেল তেলে ভাজা সবজি


 কিটো ডায়েট, মঙ্গলবার

সকাল: পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটো ও অলিভ অয়েল দিয়ে তৈরি ডিমের অমলেট
দুপুর: বাদাম ও শাকসবজি
রাত: মুরগির মাংস, চিজ ও সবজি


 কিটোতে সোমবারের ডায়েট প্লান

সকাল: পিনাট বাটার ও দুধ
দুপুর: অলিভ অয়েলে রান্না করা চিংড়ি ও ফল
রাত: মুরগির মাংস, চিজ ও সবজি

 


কিটোতে রবিবার এর খাবার মেনু

সকাল: মাংস, তেলে ভাজা ডিমের ওমলেট ও কয়েকটি টমেটো
দুপুর: দুধ, বাদাম, পিনাট বাটার, মিল্কশেক
রাত: মাংস, চিজ ও সবজি


 কিটোতে শনিবারে কি খাবেন ?

সকাল: গরুর মাংস, কয়েকটি ডিম ও কয়েকটি টমেটো বা সালাদ
দুপুর: অলিভ অয়েল ও চিজ দেয়া চিকেন সালাদ
রাত: প্রচুর তেল আছে এমন মাছ যেমন পাঙ্গাস

 


মোটা হওয়ার কারণ ০-খাদ্য 

 আমাদের শরীর বিভিন্ন কারণে মোটা বা ওজন বৃদ্ধি হয়ে থাকে । প্রধানত খাদ্যের প্রভাবে আমদের শরীরে ওজন বৃদ্ধি হয় । খাদ্য শরীরের বিকাশবৃদ্ধি ও শক্তি উৎপাদনের মূল কারণ । অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল ব্যক্তিরা তাঁদের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি খাদ্য গ্রহণ করে । এরফলে তাঁদের শরীরে মোটা হওয়ার লক্ষণ দেখ যায় । খাদ্যের প্রধান উপাদান গুলি হল কার্বোহাইড্রেটপ্রোটিনফ্যাটখনিজ লবণ  কার্বোহাইড্রেট থেকে শক্তি আসে ৬০-৭০ ভাগফ্যাট থেকে আসে ২০-৩০ ভাগপ্রোটিন থেকে আসে ১০-২৫ ভাগ শক্তি । আপনি যদি কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খানসেগুলি আমাদের শরীরের শক্তির প্রধান উৎস হয় । কার্বোহাইড্রেট ফ্যাটের তুলনায় সহজপাচ্য হয়ে থাকে । ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণ খেলে শরীর মোটা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক থাকে ।

 নারকেল পাউডার প্রধান ফাংশন

1. নারকেল আটা মানুষের অনাক্রম্যতা ভূমিকা উন্নত করতে পারেন।
2.

নারকেল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য ব্যবহার করতে পারেন।
3. নারকেল, হৃদরোগ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে নারকেল আটাতে ভূমিকা রয়েছে।
4. নারকেলের ভূমিকা বজায় রাখার জন্য নারকেলের আটা তরুণ মেয়েদের উন্নয়নে উত্সাহ দিতে পারে।
5. নারকেল পাউডার বয়স্কদের সংবহন ব্যবস্থা উন্নত একটি ভূমিকা আছে।
6. নারকেল আটা একটি slimming প্রভাব আছে।
নারকেল আটাতে পরজীবীদের হত্যার ভূমিকা রয়েছে।
8. নারকেল আটা ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধের ভূমিকা আছে।


 নারিকেল গুঁড়ো

শরীরের পুষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করতে পারে। মুরগি, দাঁত ক্ষয় এবং পুষ্টির-দরিদ্র কার্বনেটেড পানীয়ের কারণে বাজারের তুলনায় নারকেল পাউডারটি শিশুদের জন্য নিখুঁত পানীয়।


 মহিলাদের জন্য নারকেল পাউডার

প্রচুর ভিটামিন আছে, এই ভিটামিন মানুষের শরীরের প্রয়োজন হয়, তরুণ মহিলাদেরকে সাহায্য করতে পারে, নারীর শারীরিক পরিবেশে উন্নতি করতে পারে


 মহিলারা জয়তুন কেন খাবেন ?

স্ত্রী জননতন্ত্র ও ডিম্বাশয়ের কার্যক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখতে যয়তুনের পাতা, ফুল, ফল খুবই কার্যকর। ডিম্বাশয়ের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন ১-৩টি যয়তুন বা ১-৩ চা চামচ যয়তুনের তেল (অলিভ অয়েল) সেব্য

 


জয়তুন কেন খাবেন

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে যয়তুনে অলেইক এসিড নামক মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড আছে। যা LDL বা খারাপ কোলেস্টেরলের লেভেল কমায় এবং HDL বা ভাল। কোলেস্টেরলের লেভেল অপরিবর্তিত রাখে। এছাড়া LDL এর অক্সিডেশন হাস করে


 জয়তুন কেন খাবেন

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনের ফলে রক্তনালীতে এর আস্তরণ তৈরি হয় এবং রক্তনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে হৃৎপিন্ডসহ মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বাঁধাগ্রস্ত হয়। যার ফলস্বরূপ স্ট্রোক বা হার্ট এ্যাটাক ঘটতে পারে। অলিভ অয়েল এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় LDL এর অক্সিডেশন হ্রাস করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়


  বাদাম

বাদামও প্রোটিনের উৎস হিসেবে খুব ভালো। ২০টা আমন্ড বা কাঠবাদামে পাবেন প্রায় ৪ গ্রাম এবং একই পরিমাণ কাজুবাদাম থেকে ৬ গ্রাম প্রোটিন। এই খাবারে আরও পাবেন উপকারী চর্বি (ওমেগা ফ্যাট) এবং আঁশ। তবে বাদাম লবণ ছাড়া খাওয়া ভালো।

 ওজন কমাতে ধৈর্য ধরুন,


যেকোনো অভ্যাসে অভ্যস্ত হতে কমপক্ষে কয়েক মাস লেগে যায়। তাই ওজন কমাতে ধৈর্য ধরুন, তাড়াহুড়া করবেন না। সীমিত খাওয়া ও শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবার এড়িয়ে চলার অভ্যাস একবার আয়ত্তে চলে এলেই ওজন কমতে শুরু করবে

 দ্রুত ফলাফলের আশা

দ্রুত ওজন কমানোর আশায় অনেকেই ক্র্যাশ ডায়েট বা কুইক ফিক্স ডায়েট করেন। অনেকেই আবার এগুলো করে ব্যর্থ হয়ে বিষণ্ণতায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন,


ওজন একদিনেই কমে না। এ জন্য ধৈর্য ধরতে হয়। সময় ও সাধনা থাকতে হয়। মনে রাখুন, এটি মেরাথনের মতো ধীর এবং দীর্ঘ দৌড়, দ্রুত দৌড় নয়। 


 মানসিক চাপ

মানসিক চাপ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। মানসিক চাপে থাকলে করটিসল নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা ওজন বাড়িয়ে তোলে এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।


বাইরের খাবার বাদ না দেয়া

এসব খাবার  কৃত্রিম চিনি এবং ক্যালোরি বেশি থাকে। যেমন : ফলের জুস, গ্র্যানোলা সেরিয়াল। তাই এ ধরনের খাবার খাওয়ার যদি ঝোঁক থাকে তবে তা বাদ দিন। কেননা এগুলো ওজন কমাতে তেমন কাজে আসে না। 


 ঘুম না হওয়া

ঘুম ওজনের ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলে। গবেষণায় বলা হয়, কম ঘুম বা বেশি ঘুম উভয়ই ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে  নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমান।


  ব্যায়াম না করা

অনেকেই থাকেন যারা কেবল খাবারই কম খান কিন্তু ব্যায়াম করেন না। প্রোটিন খাওয়া এবং ব্যায়াম করলে পেশি ভালো থাকে এবং শরীরে ভারসাম্য তৈরি হয়।

 


প্রোটিন  না খাওয়া 

ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রোটিন খাওয়া এবং ব্যায়াম করা খুব জরুরি। ওজন কমাতে চান- এমন বেশির ভাগ নারী এই বিষয়গুলো বোঝেন না। প্রোটিন না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, আর ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমন কার্যকরী হয় না। 

 


পরিকল্পনা না করা

খাবারকে অবহেলা করে বা কোনো বেলায় খাবার বাদ দিয়ে ডায়েট করবেন না। আর ডায়েট  শুরুর আগে ভাবুন, কী খাবেন, কখন খাবেন, কোথায় খাবেন এবং কেন খাবেন। সব নির্দিষ্ট করে ডায়েট শুরু করুন

 


ডায়েটিং করেও ওজন না কমার কারণ

দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই খাদ্যাভ্যাসকে অস্বীকার করেন। অর্থাৎ কোনো বেলার খাবারকে হয়তো বাদই দিয়ে দেন। এটা ঠিক নয়। 

লেবেল

MKRdezign

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget